Thursday, June 10, 2021

A Pic of Golden Era Dhaka Mohammedan Football Club

 


স্বর্ণযুগের মোহামেডান টিম, ১৯৮৭। Mohammedan Sporting Club Football Team in the final days (1987) of Dhaka's Premier Division Football League's golden era. Suddenly, I get 34 years back to those club football-crazy days when I, as just a 5/6-year-old kid used to be a staunch Mohammedan supporter !! especially while playing against "Abahoni Krira Chakra". To most of Dhaka's club football fans in those days, the main attraction of the premier league every year was all the matches between these two archrivals. I still remember the days while we, kids of Barisal Polytechnic Institute's staff quarter used to chant slogans against Abahoni waving homemade/readymade flags, banners and posters of Mohammedan Sporting Club. This would start right from the first day of "players draft" in clubs through team switching/ contract renewal/new hire/kidnapping by the club fans(Yes !! it's a fact)....One of the popular slogans was " ইলিশ মাছের তিরিশ(ত্রিশ) কাঁটা , বোয়াল মাছের দাড়ি।..

আবাহনী ভিক্ষা করে মোহামেডানের বাড়ি "
Now waiting for the reply from the Abahoni fans....

Monday, September 7, 2020

অফসাইডে ধরা খেলাম আরেক অফসাইডারের হাতে

 


একটি খাদ্য সরবরাহ মূলক ব্যবসার সম্ভাবতা যাচাই করতে গিয়ে ,  এব্যাপারে  অভিজ্ঞ এক মহিলা ব্যবসায়ীর পরামর্শে আমি মহিলা উদ্যোক্তাদের একটি ফেইসবুক গ্রূপে যুক্ত হলাম।  এমনিতে এটা একটা মহিলাদের গ্রূপ , এখানে ঢোকাটা ঠিক হলো কিনা !!? খাবার সরবরাহ ব্যবসার সাথে জড়িত অনেকে ওখানে থাকলেও কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতে গেলে কে কি বলে বসে সেই ভয়ে ভয়ে ২৪ ঘন্টা পার না করতেই এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা লাভ করলাম !! একজন মহিলা উদ্যোক্তা সেখানে কালো জাম ( গুলাব জামুন ) মিষ্টি তৈরির একটি ভিডিও পোস্ট করলেন। আমি বেশ আগ্রহের সাথে সেই পোস্টের নিচে কমেন্টে এ আমার কিছু প্রশ্ন রাখলাম।  মিষ্টির দর কত !!? ঢাকার ভিতরে সরবরাহ খরচ কেমন !!? ইত্যাদি।  উদ্যোক্তা আমার  প্রশ্নগুলোকে ইনবক্সে পাঠাবার জন্যে বললেন। কিন্তু আমাকে সম্বোধন করলেন , " আপু " ডেকে !! হতে পারে সেটা ভুল করে অথবা  ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার ওখানে উপস্থিতিকে প্রশ্ন করার জন্যে। সেটাও ঠিক ছিল , ব্যাপারটা ওই গ্রূপের ভিতরেই থেকে যেত। কিন্তু ব্যাপারটা আমি টের পেলাম অফিসাইডে থাকা আমার পরিচিত আরেক ক্রিমিনালের ( অনেক পুরোনো , একবারে আদি স্কুল লাইফের ক্রিমিনাল) ইনবক্স মেসেজ থেকে। আমার ধারণা ফাজিলটা আগে থেকেই এই গ্রূপে ছিল !! কমেন্টের স্ন্যাপশট পাঠিয়ে আমাকে লিখলো , , " কিরে তোরে দেহি মানুষজন " আপু " ডাকে !!?"...... আমি জানি ব্যাপারটা এতোক্ষনে আমার পুরো বন্ধু মহলে ব্রডকাস্ট হয়েগেছে। আর রক্ষা নেই !!!!......বলুনতো ..এইডা কিসু হইলো !!?

Saturday, August 22, 2020

কিছু কিছু বিভ্রান্ত দুর্বল ঈমানের মুসলমানদের হিনমন্নতা প্রসঙ্গে

 আর পারছিনা !! আর চুপ করে থাকাটা ঠিক হবে না। আজকে আমার এ ব্যাপারে কিছু বলা দরকার :

প্রথমে তুলে ধরছিইলসাম এবং এর অনুসারী মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিধর্মীদের এক সুনিপুন ষড়যন্ত্র মূলক কিছু কথা :
.........................................................""""""""""
লর্ড বার্নার্ড' শ বলেছিলেন, "ইসলাম হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং মুসলমানরা হচ্ছে সর্ব নিকৃষ্ট অনুসারী।"
.........................................
"ইসলামিক দেশগুলি কতখানি ইসলামিক এই নিয়ে গবেষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুসেন আসকারী। ইসলাম ধর্মে রাষ্ট্র ও সমাজ চলার যে বিধান দেয়া হয়েছে তা যে দেশগুলি প্রতিদিনের জীবনে মেনে চলে তা খুঁজতে যেয়ে দেখা গেলো,-- যারা সত্যিকার ভাবে ইসলামিক বিধানে চলে তারা কেউ বিশ্বাসী মুসলিম দেশ নয়।
স্টাডিতে দেখা গেছে সবচেয়ে ইসলামিক বিধান মেনে চলা দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড এবং দ্বিতীয় অবস্থানে লুক্সেমবার্গ। তারপর এসেছে পর্য্যায়ক্রমে আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ষষ্ঠ ও কানাডা সপ্তম অবস্থানে। মালয়েশিয়া ৩৮তম, কুয়েত ৪৮তম, বাহরাইন ৬৪তম, এবং অবাক করা কান্ড সৌদি আরব ১৩১তম অবস্থানে। গ্লোবাল ইকোনমি জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান সৌদীদেরও নীচে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মুসলমানরা নামাজ, রোজা, সুন্নাহ, কোরআন, হাদিস, হিজাব, দাড়ি, লেবাস নিয়ে অতি সতর্ক কিন্তু রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে ইসলামের আইন মেনে চলেনা।
..............................................""""""""""""""""".................................
এবার সবার আগে বলুন যে এই মুসলিমদের খেলাফত, রাষ্ট্র , সরকার ব্যবস্থা , সমাজ , সংস্কৃতি সর্বমোট কত শত বছর এই বিধর্মী ষড়যন্ত্র কারীদের মাথাব্যথার কারণ হয়েছিল। আর সেই সময়টাতে মুসলমানদের মধ্যে পাশ্চাত্যের বিধর্মীদের এরকম উদ্ভট বক্তব্যকে প্রশ্রয় দিয়ে প্রচার করে নিজ জাতিকে ঘৃণা করার হীনমন্যতা ছিল কিনা। নাকি ব্যাপারটা ছিল পুরোপুরি উল্টো। মানে মুসলমানদের নিজেদের ধর্মের প্রতি আনুগত্য , তাদের , শিক্ষা , সংস্কৃতি , শরিয়া , সরকার ব্যবস্থা , সমাজ ব্যবস্থা, বিজ্ঞান , চিকিৎসা, ব্যবসা , আধুনিক স্থাপত্য কলা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের অগ্রগতি দেখে বিধর্মীরা নিজেদের সম্পর্কে এধরণের ধারণা পোষণ করতো !!?
লক্ষ্য করে দেখুন , যেদিন থেকে আমরা মুসলমানেরা ঠিক এইভাবে আমাদের আলেমে দিন, প্রসিদ্ধ ইমাম গণ , নিজেদের শরিয়া , কুরআন , হাদিস থেকে দূরে সরে গিয়ে বা তাদেরকে অগ্রাহ্য করে বার্নার্ডশ এর মতো এরকম আরো অনেক বিধর্মী মনীষী, বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ, ব্যাবসায়ী , ধর্মযাজক প্রভৃতি জনের ইসলাম এবং ইসলামের অনুসারী মুসলমানদের সম্পর্কে তাদের হাস্যকর অব্জার্ভেশনকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছি তখনথেকেই আমাদের , মানে মুসলমানদের পতনের শুরু হয়েছে। এখন আমরা মুসলমানেরা ক্লিনটন, বুশ , ওবামা এই তিন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর ছবি পোস্ট দিয়ে তার নিচে অনেক আবেগ ভরা কোথায় লিখি এরাই নাকি প্রকৃত ইসলামিক নিয়মে নিজেদের দেশকে পরিচালিত করেছেন। আমি বেশি জুটি তর্ক আর বিশ্লেষণ মূলক কথা বলে আপনাদের সময় নষ্ট করবো না। কারণ, আমি জানি অনেক মুসলমান ভাই পাশ্চাত্যের প্রচারমাধ্মের চাকচিক্য ভরা চেহারা আর তার বিপরীতে বর্তমান মুসলিম দেশ গুলোর দুর্বলতা গুলোকে তুলে ধরে , তাদেরই "বিজ্ঞগণের" দেয়া বিশ্লেষণে একেবারে বিমোহিত হয়ে আছেন। আপনাদের কথা কি বলবো !! আমি নিজেইতো সারাজীবন ইংরেজি শিখবো, ইংরেজি শিখবো , আমেরিকান কিংবা ইংরেজদের মতো করে ইংরেজি বলবো করে এসেছি। তার দশভাগের এক ভাগ আগ্রহ তো আমি আরবি শেখার জন্যে কখনো প্রকাশ করিনি। যাইহোক , বর্তমান বাস্তবিকতার সাপেক্ষেই সব মুসলমান ভাইদের একটি হিসাব করতে অনুগ্রহ করছি। যেকোনো মুসলিম প্রধান এবং মোটামুটি ইসলামিক আইন মেনে চলা দেশের সমাজ এর সাথে যেকোনো অমুসলিম দেশের সমাজের একটি তুলনা করতে বলছি। মুসলিম বিশ্বের সবচাইতে দুর্বল সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি দেশ তুলে নিন, এই ধরুন আফগানিস্তান, লিবিয়া অথবা সিরিয়া। আর এবার বিধর্মীদের উন্নত বিশ্বের আপাত দৃষ্টিতে সবচাইতে শান্তিময় কোনো দেশ তুলেনিন। ধরুন নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ডেন্মার্ক্, লুক্সমেম্বারগ , কানাডা বা আপনার যেটা ইচ্ছা। এবার একজন মুসলমান হিসেবে চিন্তা করুন কোন দেশের সামাজিক ব্যবস্থাতে ইসলামিক নিয়ম রীতি পালনে , আপনার সন্তানকে পুরোপুরি ইসলামিক রীতিতে লালন পালন এবং শিক্ষা প্রদানে আপনি বেশি সাবলীল !!? ........পোশাক-আশাক এবং চাল-চলনে অশালীনতা, অবাধ যৌনাচার, বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক, বৈবাহিক সম্পর্কের অস্থিতিশীলতা, পারিবারিক এবং আত্মীয়তার সম্পর্কের দুর্বল অবস্থা, বর্ণ বৈষম্য এবং ধর্ম বৈষম্য মূলক অপরাধ , সমকামিতার মতো নিকৃষ্ট ধ্বংসাত্মক অপরাধ কোন দেশগুলোর সমাজে বেশি !!? ....................................................................
শেষ করবো আমার ব্যাক্তিগত একটি অভিজ্ঞতা দিয়ে। একদিন আবুধাবি এর মেরিনা তে আরেকজন বাংলাদেশির সঙ্গে হাটছি। সকালের রৌদ্রোজ্জ্বল সুন্দর পরিবেশ। এর মাঝে দেখা হলো বেশ বয়স্ক এক জার্মান দম্পত্তির সাথে। তারা নিজেথেকেই আমাদের ফোন নিয়ে দুজনের এক সাথে ছবি তুলে দিলেন। তারপর অনেকটা মিষ্টি সুরে একটা অভিযোগ করে বসলেন। " এটা না তোমাদের মুসলমানদের দেশ !!? তাহলে আমরা যে হোটেলে উঠেছি , সেখানে রাতের বেলা কেন এতো হৈ - চৈ, মিউজিক , নাচানাচি আর ওই সব !!? আমরাতো এই দেশে একটু শান্তিময় পরিবেশ ভেবে এসেছি " এই ধরণের একটি অভিযোগ।
আমার প্রগলভ বাংলাদেশী মন এই অপমানটা সহ্য করে অথবা মেনে নিয়ে মোটামুটি একটা উত্তর দিয়ে দিলাম , "আসলে আমাদের দেশ বাংলাদেশ এটা নয়। এটা আরব আমিরাত, কাগজে কলমে যদিও মুসলমানদের দেশ তবে তারা পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকেই নিজেদের করে নিয়েছে হয়তো। "
সেই সফরেই দুবাইতে একটি বিশাল বিপণিবিতানে লিফটের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই এক মার্কিন বা কানাডিয়ান মহিলা বেশ ক্রুর শোর আমাদের ভর্ৎসনা করতে লাগলেন , ওহীল চেয়ার এ বসা তার মা কিংবা বাবাকে পাশ কাটিয়ে কেন আমরা লিফটের সামনে এসে দাঁড়ালাম, অথচ এতো মানুষের মাঝে ব্যাপারটা আমরা লক্ষই করিনি। আমি তার কাছে বার বার ক্ষমা প্রার্থনা করতে করতে লক্ষ্য করলাম, সেই পাশ্চাত্যে মহিলাটি আমাদের ক্ষমা প্রার্থনার প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপই করছেন না , বরং আরো কিছুক্ষন তার ক্ষোভ ঝেড়ে তার বাবা কিংবা মা কে লিফটে উঠিয়ে বিদায় নিলেন , অনেকটা বিজয়ীর বেশে।
শেষ কথা হলো তেরোশো বছরের মুসলিম খিলাফতের শৌর্য এবং পরাক্রমতার কাছে তাদের হেরে যাওয়া এবং পিছিয়ে থাকাটা , আমাদের কেউ কেউ ভুলে গেলেও এই বিধর্মীরা , এই বিধর্মী মনীষীরা ভুলে যায়নি। তারা সব সময়ই চায় যাতে দুর্বল ঈমানের মুসলমানেরা নিজেদের ব্যাপারে তাদেরই চাপিয়ে দেয়া এরকম চায়ভুগে মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে , তাদেরকে আদর্শ হিসেবে বেছে নেই। তাছাড়া কিছুদিন আগে শুনলাম পবিত্র কুরআন শরীফে উল্লেখ করা আছে যে ইহুদি-নাসারাগণ ততক্ষন পর্যন্ত কোনো মুসলমানের উপরে খুশি হবেন না যতক্ষণ না সে তাদের ধর্মের অনুসারী না হন। নাউযুবিল্লাহ বিন জালিক। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দেন করুন। আমিন।

Unplanned Deforestation Affecting Wildlife - crayoned by a 5-year-old

Work of my 5-year-old niece. She came up with a pretty interesting story for this, or maybe that was her key idea, the theme behind this drawing. According to her, there are two lumberjacks in 'not so comfy' condition in this picture. One is under attack by a bee or bees because he chopped off a tree holding the hive. And the other one is being poked by a bird. Yes, you guessed right!! The culprit just cut off the tree it was nesting....!! Ma Shaa Allah a pretty concise depiction of disturbance in wildlife as an immediate effect of unplanned deforestation all observed by a 5-year-old as I look at it. Well, schools are off because of the pandemic, but that could hardly halt imaginations in fresh infant minds... Ma shaa Allah, Al Hhamdulillah. May Allah bless her with such creatively caring works all through her life, Ameen.

Wednesday, October 9, 2019

কি ছিল এটা ভাই !!?

এমনই এক দেশ , এমনই আজব এক জাতি, কাগজে কলমে যার ভূখণ্ড , সরকার , মিলিটারি , পুলিশ, প্রশাসন , আইন- আদালত সবই আছে। এমনকি তাদের দাবি, তাদের নাকি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার ইতিহাসও আছে ( যখন তাদের বলতে গেলে এসবের কিছুই ছিল না ) । আরো মারাত্মক ব্যাপার , মাতৃভাষার জন্যে জীবন দেয়ার তাদের যে ইতিহাস , এটা নাকি দুনিয়াতে আর কোনো জাতির নেই । তারপরও, তাজা তরুণ টগবগে রক্তের এক শিক্ষার্থী কে উপন্যাসের , " কাদুম্বিনীর" মতো মরিয়াই প্রমান করিতে  হইলো যে , তাদের কোনো কোনো হতভাগ্যের হৃদয়ে  সার্বভৌমত্বের  চেতনা এখনও মরে  নাই । আচ্ছা ভাই বলুনতো , এটা এই চুয়ান্ন হাজার বর্গমাইলের মানুষগুলিকে নিয়ে কোনো তামাশা নাতো !!?................................ কারণ দেখুন না , সেই ১৯০৫ সনের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন থেকে এই পূর্ববঙ্গের শোষিত - বঞ্চিত মুসলিম জনগোষ্ঠী স্বপ্ন দেখে আসছিলো ব্রিটিশ শাসক কিংবা হিন্দু জমিদার দের থেকে মুক্ত হয়ে মুসলমানদের আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। সে স্বপ্ন আল্লাহ এর অশেষ রহমতে ১৯৪৭ এ যখন পূরণও হলো। তখন এই ঢাকার মাটিতে নাকি জামাত করে শোকরানা নফল আদায় করা হয়েছিল। তার মানে ৪৬ সন থেকে শুরু হওয়া রায়ট , হিন্দু -মুসলিম হানাহানির পরও স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্র পাওয়াতে এই অঞ্চলের মানুষ খুশিই হয়েছিল। কিন্তু তারপর চব্বিশ বছরে কি হলো দেখুন। ...। তৎকালীন মাথামোটা পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর শোষণ বঞ্চনার একটার পর একটা তামাশা , আর সেটাকে পুঁজি করে পুরোনো শত্রু, দাদাদের একটার পর একটা পাল্টা তামাশা আর ধোঁকা বাজি। শেষে আবার যুদ্ধ , প্রাণ হানি (এই চুয়ান্ন হাজার বর্গমাইলের মানুষেরই প্রাণ যেখানে বেশি গেলো) আর ২৪ বছর পর গিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের জন্যে আরেকটা নুতন স্বাধীন দেশ , এই দেশের মানুষেরই সরকার। আবারো হাজারটা রঙিন স্বপ্ন ...!!!...... যুদ্ধ বিদ্ধস্ত , অভাব গ্রস্থ দেশে দুইবেলা পেটে ভাত ঠিক মতো কয়জনের জুটতো !!? কিন্তু স্বপ্ন ছিল টনটনে !!....... আমার জন্ম তো ৮১ সনে। ৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর এর মানুষের উল্লাস দেখিনি । তবে , পড়েছি, শুনেছি আর যারা শুনিয়েছেন তাদের চোখ দেখে অনুভব করেছি, এটা নাকি ১৯৯৭ এর ১৩ ই এপ্রিল বিকাল বেলার বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের আই. সি. সি. ট্রফি জেতার অনুভূতির থেকেও বহু-বহুগুন বেশি ছিল !! বলে কি !!!? আবার অনেক মুরুব্বি গোছের মানুষকে এটাও বলতে শুনেছি ৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর এ একটা অখুশি গোষ্ঠীও ছিল যারা এই স্বাধীনতা চায়নি। কিন্তু ৯৭ এর ১৩ ই এপ্রিল এমন কোনো অখুশি গোষ্ঠী ছিল না। আর যদি থেকেও থাকে তাহলে ওই গোষ্ঠী আর ৭১ এর ডিসেম্বর এর অখুশি গোষ্ঠী এক না। এখনতো আর এই দেশের প্রতি কোনো আনুগত্য নেই আমার (এটা বলতে আমার কোনো দ্বিধাও নেই ) কিন্তু শৈশব -কৈশোরের বিশাল একটা সময় কেটে গেছে এই দেশের উন্নতি , এই দেশের দুঃখী মানুষগুলোর জীবনযাপনের উন্নতি , সবকিছুতে " বাংলাদেশ " এর বিশ্বজয় এর স্বপ্নের ঘোরে। অনেকটা সেই ক্লাস সেভেন বা এইটের " ইংলিশ ফর টুডে " বইতে পড়া দেশপ্রেমের ঘোরগ্রস্ত এক স্কুল বালকের মতো, যে শুধু স্বপ্নই দেখতো বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নেবার , কিন্তু এই দেশের মানুষের মন-মানসিকতার সমস্যা গুলো জানতো না। .......................................................................................  ঘোর কেটে গেছে , একটু ও বাকি ছিল না । কিন্তু সর্বশেষ এই নির্মম তামাশাটাকে কেন যেন মেনে নিতে পারছি না। ফেসবুকে তার ওয়াল এ কি এমন স্ট্যাটাস দিয়েছিলো ভাই ছেলেটা !!? তার নিষ্পাপ ঘোরটা ছিল তার দেশকে নিয়েই। এই বাংলাদেশ কে নিয়ে , হয়তো বাংলাদেশের সংকটাপন্ন স্বার্থ - সার্বভৌমত্ব নিয়ে। শাসক গোষ্ঠীর দেশ বিক্রির চুক্তি দেখে সে হয়তো আমার মতো মনে মনে দেশপ্রেম বিসর্জন দিয়ে দু' হাত ঝেড়ে বসে থাকতে পারেনি। এক অসহায় ছাত্র তার মাতৃভূমির স্বার্থ এবং অস্তিত্ব সংকটে তার বিক্ষত হৃদয়ের দুঃখ- গ্লানি একটু সাহিত্য দিয়ে ভাসিয়ে দিতে চেয়েছিলো। আল্লাহ এর কাছে হয়তো এটাই কবুল হয়ে গেছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন খুনি গোষ্ঠীর "ঘোর " টা নিয়ে। ওটা আসলে কি ছিল !!? ভয় !!? ক্ষোভ !!? ওটাও কি দেশ-প্রেম !!? ............... জবাব আপনারা দেবেন। ......তবে তার আগে দেশপ্রেম নিয়ে নিচের দুটো উক্তি দেখে নিন ( The Rock , ১৯৯৬ মুভি থেকে নেয়া ) : 
১. The tree of liberty must be refreshed from time to time with the blood of patriots and tyrants.              -থমাস জেফারসন 
২. “How is it,” I once asked him, “that people who are not possessed of a single other virtue should come out at times as patriots?”
“Exaggerated patriotism,” he answered, “is the most insincere form of self-conceit.” And at another time he said, “Patriotism is the virtue of the vicious.”          - বহু  কাল  আগে এমনই এক প্রশ্নের জবাবে বলছিলেন অস্কার ওয়াইল্ড 

Wednesday, August 30, 2017

Glorious Expression of Gratitude to the Inspiring Wife by the Valiant Hero

Maa Shaa Allah !! What an extraordinary way by the "Hero" to thank his wife for motivating the husband to get through the tough challenge!! This is the first time, I appreciate Sakib Al Hassan for something other than cricket. I mean we hear lots of stories of valiant triumphs by heroes and also the story of them getting inspired by their wives. But, when we see in such a glorious occasion, such a triumphant husband in such a surprising way utilizing the privilege of his hard earned fame to declare the contribution of his wife behind his success, how the lady inspired him and took his spirit up against all the odds, a lot of other wives get inspired to inspire their men in the same manner. A lot of other husbands get inspired to be inspired by their wives ahead of any tough challenge in their lives, to overcome any tough hurdle in their way. May be for the first time from me Sakib , Hats off to you !! You’ve just inspired the entire nation to produce more heroes, Ma shaa Allah!! Al Hhamdulillah.

Thursday, June 1, 2017

Bangladesh losing to their lack of high profile tournament experience After Tamim and Mushfiq's Good Show with the Bat


Yuh...!! At least 40 runs short of a good first innings total against England on such a placid track....I should say...!!! Innings acceleration was badly missed specially in the later part of the first 50 overs of the match what otherwise was an impressive show of Bangladeshi batting. In my words, that actually was the point where the game got shifted towards English side giving them a breath of relief and confidence as well of getting back on the match from a stage where Bangladesh was cruising along at 260 for 2. The bad thing about this sort losses defending 300 odd runs is that the bowlers of the losing side get demoralized .....let alone the batters..!! That being said, I do divulge, Bangladesh Al Hhamdulillah has done fairly better than what was feared after that batting disaster against India in the Practice match just two nights back. And take it or not , it still is a learning curve for Bangladesh playing so intensely competitive " Champions Trophy " after a decade and that too on English Conditions against the Team of England who are at the pick of their ODI Form in recent months.